বিজ্ঞাপন

Thursday, June 17, 2021
World on Web


পবিত্র শবে ক্বদর উপলক্ষে সেকান্দারবাগ বায়তুল আমীন জামে মসজিদে বিশেষ আলোচনা

পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষে সেকান্দারবাগ বায়তুল আমীন জামে মসজিদে এক বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন হক কথা…

By admin , in হক কথা , at May 10, 2021

বিজ্ঞাপন





পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষে সেকান্দারবাগ বায়তুল আমীন জামে মসজিদে এক বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন হক কথা ২৪.নেট-এর সম্পাদক এবং বায়তুল আমীন জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি তাজুল ইসলাম জালালি। আল্লাহর দরবারে এলাকাবাসী ও সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য রহমত, মাগফেরাত ও নাজাতের দোয়া করা হয়।

এসময় সমগ্র দেশবাসীর মঙ্গলকামনা ও করোনা ভাইরাস থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য দোয়া করেন মুসল্লিরা। এছাড়াও দেশে এ পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে মৃতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। দোয়াতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হক কথা ২৪.নেট-এর নির্বাহী সম্পাদক মোঃ সাদ্দাম হোসাইন এবং ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মোঃ মারুফ হোসেন।

দোয়ার পূর্বে মসজিদে অবস্থানরত মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য পেশ করেন সেকান্দারবাগ বায়তুল আমীন জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি তাজুল ইসলাম জালালি। বক্তৃতায় তিনি মুসলিম উম্মাহ্ দের কাছে নবী কারীম (স.) ও পূর্ববর্তী নবীগণের আদর্শ তুলে ধরেন। তিনি আমাদের মুসলিম জাতির আদি পিতা ও সর্বপ্রথম নবী হযরত আদম (আ.), হযরত মূসা (আ.), হযরত ইদরিস (আ.) এর জীবনাদর্শ তুলে ধরেন।

মুফতি তাজুল ইসলাম জালালি-এর বর্নিত ঘটনাগুলোর মধ্যে কিছু ঘটনা নিচে বর্ণিত হলো-

[১] আমরা জন্মলাভের পূর্বে সকলেই রূহের জগতে ছিলাম। সেখানে হযরত দাউদ (আ.) এর কুরআন তিলাওয়াত শুনে হযরত আদম (আ.) মুগ্ধ হন এবং নিজের পার্থিব জীবনের ১০০০ বছর হায়াত থেকে ৪০ বছর হায়াত তাকে (হযরত দাউদ (আ.) ) দেন পুরস্কার স্বরূপ। অতঃপর পার্থিব জীবনে তার (হযরত আদম (আ.) ) ৯৬০ বছর পূর্ণ হলে যখন আজরাঈল (আ.) তার জান কবচ করতে আসেন তখন তিনি অস্বীকৃতি জানান। তবে পরবর্তীতে তিনি তার ভূল বুঝতে পারেন।
[২] হযরত মূসা (আ.) এর আমলে একদা প্রচন্ড খরা যাচ্ছিল এবং বৃষ্টিপাত হচ্ছিল না। এরপর সবাই মিলে হযরত মূসা (আ.) এর কাছে এসে ফরিয়াদ জানালে তিনি সকলকে নিয়ে আল্লাহর দরবারে দোয়া, মোনাজাত করতে থাকেন। এমতাবস্থায় আল্লাহর কাছ থেকে বাণী আসে যে, এ মজলিসে এমন একজন আছে যে অনেক পাপী। সে বের হয়ে গেলে বৃষ্টি পড়া শুরু হবে। তখন পাপী লোকটি কে এ কথা মজলিসের সকলকে জিজ্ঞাসা করা হয় এবং তাকে সেখান বের হয়ে যেতে বলা হয়। কিন্তু পরক্ষণেই সেখানে বৃষ্টি শুরু হয়। অতঃপর মুসা (আ.) জানতে পারেন মজলিসে থাকা সেই পাপী ব্যক্তি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চান এবং তওবা করেন। এরই ফলস্বরূপ সেখানে বৃষ্টি শুরু হয়।

Comments


Leave a Reply


Your email address will not be published. Required fields are marked *