বিজ্ঞাপন

Thursday, June 17, 2021
World on Web


মহামারিতে দারিদ্রের মুখোমুখি অতিরিক্ত ১০ কোটি শ্রমিক

করোনা মহামারিতে থমকে যাওয়া বিশ্ব অর্থনীতিতে স্থবির হয়ে আছে সকল আর্থিক কার্যক্রম। দেউলিয়া হওয়া থেকে বাঁচতে বেশীরভাগ প্রতিষ্ঠান কর্মী ছাঁটাই…

By admin , in সংবাদ , at June 5, 2021 Tags:

বিজ্ঞাপন





করোনা মহামারিতে থমকে যাওয়া বিশ্ব অর্থনীতিতে স্থবির হয়ে আছে সকল আর্থিক কার্যক্রম। দেউলিয়া হওয়া থেকে বাঁচতে বেশীরভাগ প্রতিষ্ঠান কর্মী ছাঁটাই করে। আবার কিছু প্রতিষ্ঠান কাজের সময় ও কর্মীদের বেতন কমিয়ে দেয়। অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তায় পড়ে বর্তমানে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের এ সময়েও শ্রমিকরা কাজ ফিরে পাননি। ফলে নতুন করে ১০ কোটি ৮০ লাখ শ্রমিক দারিদ্র্যের মুখে পড়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) জানায়, করোনা সংকটে ২০২৩ সালের আগে কর্মসংস্থানসমূহ মহামারির আগের পর্যায়ে ফিরতে পারবে না। এছাড়াও আইএলওর’ বার্ষিক ওয়ার্ল্ড এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল আউটলুক প্রতিবেদন হতে আরও জানা যায়, চলতি বছরের শেষ সময়ে বেকারত্ব আরও বেড়ে মহামারির আগের সময় থেকে ৭ কোটি ৫০ লাখ বেশি হবে।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, আগামী বছরও উদ্বেগজনক হারে বাড়তে পারে বেকারত্বের এ সংখ্যা । ২০২২ সালের শেষ নাগাদ মহামারি আগের তুলনায় ২ কোটি ৩০ লাখ বেশি বেকার থাকবে।

আইএলও’র মতে করোনা শুধু একটি জনস্বাস্থ্য সংকটই নয়, কর্মসংস্থান ও মানবসংকটও ছিল। তাই সুনির্দিষ্ট কর্মসংস্থান সৃষ্টির কাজ দ্রুত এগিয়ে নেয়া, সমাজের সবচেয়ে দুর্বল সদস্যদের এবং ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনৈতিক খাতগুলোকে দ্রুত পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করা উচিত। অন্যথায় উচ্চ দারিদ্র্য ও বৈষম্যের মতো মহামারির ফলে ঘটে যাওয়া দীর্ঘকালীন প্রভাবগুলো বছরের পর বছর একই রকম থাকবে।

আইএলও’র পরিসংখ্যান বলছে, ২০২২ সালে বিশ্বজুড়ে বেকারত্ব ২০ কোটি ৫০ লাখে দাঁড়াতে পারে। যা মহামারির আগে ২০১৯ সাল নাগাদ ১৮ কোটি ৭০ লাখ ছিল। সুতরাং দেখা যাচ্ছে এই হার ইতোমধ্যে অনেক বড় পরিসরে বৃদ্ধি পেয়েছে।

২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাসের তুলনায় ২০২০ সালে কাজের সময়সীমা ৮ দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে। যা প্রায় ২৫ কোটি ৫০ লাখ মানুষের পূর্ণকালীন কাজের সমান। পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হলেও এখনও বিশ্বব্যাপী কর্মঘণ্টা আগের অবস্থায় ফেরেনি। চলতি বছরের শেষ দিকেও কর্মঘণ্টা ১০ কোটি পূর্ণকালীন কাজের চেয়ে কম থাকবে।

এক সমীক্ষা হতে জানা যায়, ২০১৯ সালের তুলনায় সারাবিশ্বে আরও ১০ কোটি ৮০ লাখ শ্রমিক দরিদ্র কিংবা অতি দরিদ্র হয়েছেন। এবং প্রতিদিন তাদের পরিবারে জনপ্রতি ৩ ডলার ২০ সেন্টের চেয়ে কম আয় হচ্ছে।

Comments


Leave a Reply


Your email address will not be published. Required fields are marked *